অনলাইন আবেদন, IVAC স্লট বুকিং, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চেকলিস্ট, ভিসা স্ট্যাটাস, ট্রাভেল ট্যাক্স ও পোর্ট ট্যাক্স — ধাপে ধাপে সহজ ভাষায়।
প্রতিটি লিংক সরাসরি সরকারি / অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে। নতুন ট্যাবে খুলবে।
অনলাইনে ভারতীয় ভিসার আবেদন ফর্ম পূরণ করুন এবং Web File নম্বর সংগ্রহ করুন।
আবেদন করুন → ধাপ ২ 📋ট্যুরিস্ট, মেডিকেল, বিজনেস, ট্রানজিট, এন্ট্রি — সব ক্যাটাগরির ইন্টার্যাক্টিভ চেকলিস্ট।
চেকলিস্ট খুলুন → ধাপ ৩ 📅ভিসা জমা দেওয়ার তারিখ ও সময় (অ্যাপয়েন্টমেন্ট) বুক করুন এবং ফি পরিশোধ করুন।
স্লট বুক করুন → ⚡ ভিসামাস্টার প্রো 🚀ভারতীয় ভিসা আবেদনের দীর্ঘ ফর্ম পূরণে সময় বাঁচান। বাংলাদেশি ই-পাসপোর্ট স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডে ১০০% নির্ভুলভাবে স্বয়ংক্রিয় ফর্ম পূরণ করুন। দালালমুক্ত ও সম্পূর্ণ নিরাপদ।
ফ্রি এক্সটেনশন যোগ করুন → ধাপ ৫ 🔎জমা দেওয়া পাসপোর্ট এখন কোন ধাপে আছে — ধাপে ধাপে দেখুন।
ট্র্যাক করুন → ধাপ ৬ ✅Web File নম্বর ও পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে ভিসা অনুমোদন হয়েছে কিনা জানুন।
স্ট্যাটাস দেখুন → সতর্কতা ⛔যে ভুলগুলোর কারণে ভিসা বাতিল হয় — আবেদনের আগেই জেনে নিন।
বিস্তারিত →নিচের যেকোনো একটিতে ক্লিক করুন — আমরা বলে দেব আপনার কোন ভিসা লাগবে।
যেকোনো ধাপে ক্লিক করে বিস্তারিত দেখুন। শেষ করা ধাপগুলো সবুজ হয়ে যাবে।
IVAC নোটিশ বোর্ড অনুযায়ী তৈরি। প্রতিটি কাগজ প্রস্তুত হলে টিক দিন — আপনার অগ্রগতি এই ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকবে।
২" × ২" (৫১×৫১ মি.মি.) সাম্প্রতিক রঙিন ছবি, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, চশমা ছাড়া, মুখ স্পষ্ট। পুরানো ছবি দিলে ভিসা বাতিল হতে পারে।
চেকলিস্টের সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী সব কাগজ সাজিয়ে নিন। উপরে আবেদন পত্র, সবার নিচে পাসপোর্টের কপি।
মূল পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে এবং সকল পুরানো পাসপোর্ট সঙ্গে জমা দিতে হবে।
আবেদন ফর্ম, NID ও ইউটিলিটি বিলের ঠিকানা একই হতে হবে — গরমিল থাকলে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হয়।
IVAC নোটিশ বোর্ডে উল্লেখিত কারণগুলো — এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন।
বর্তমান আবেদন ফি ১,৫০০ টাকা। পাশের ক্যালকুলেটরে আপনার মোট খরচ হিসাব করুন।
| চার্জের ধরন | পরিমাণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| ভিসা আবেদন / প্রসেসিং ফি | ৳ ১,৫০০ | স্লট বুকিংয়ের সময় অনলাইনে |
| অতিরিক্ত পোর্ট এনডোর্সমেন্ট | ৳ ৩০০ | প্রতি পোর্ট, সর্বোচ্চ ২টি |
| আবেদন প্রিন্ট সুবিধা | ৳ ২০০ | IVAC যমুনা ফিউচার পার্ক |
| ট্রাভেল ট্যাক্স (স্থলপথ) | ৳ ১,০০০ | ভিসা পাওয়ার পর, সোনালী ব্যাংক |
| পোর্ট / টার্মিনাল ফি | নির্ধারিত হারে | BLPA যাত্রী পোর্টালে অনলাইনে |
* সরকারি সিদ্ধান্তে ফি পরিবর্তন হতে পারে। পরিশোধের আগে অফিসিয়াল সাইটে যাচাই করুন। আকাশপথে ভ্রমণ কর সাধারণত বিমান টিকিটের সাথে যুক্ত থাকে।
দুইটি আলাদা ওয়েবসাইট — একটিতে ভিসা অনুমোদন, অন্যটিতে পাসপোর্টের অবস্থান দেখা যায়।
ভিসা অনুমোদন (Granted) হয়েছে কিনা জানতে এই তথ্যগুলো লাগবে:
IVAC-তে জমা দেওয়া পাসপোর্ট কোন পর্যায়ে আছে তা ধাপে ধাপে দেখুন:
Web File নম্বর বা পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে সার্চ করুন। "Ready for delivery" দেখালে রসিদ নিয়ে IVAC থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন।
পাসপোর্ট ট্র্যাক করুন →অনলাইনে আগে থেকে পরিশোধ করলে বন্দরে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থাকে না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভ্রমণ কর সোনালী ব্যাংকের অনলাইন পোর্টালে পরিশোধ করুন।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (BLPA) যাত্রী টার্মিনাল ফি অনলাইনে পরিশোধ করুন।
বাংলাদেশি ই-পাসপোর্ট ও ভারতীয় ভিসা (IVAC) আবেদনকারীদের জন্য তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির AI চালিত ১-ক্লিক অটোফিল ও OCR অ্যাসিস্ট্যান্ট।
আপনার ই-পাসপোর্ট আপলোড করলেই নাম, জন্মতারিখ, পিতা-মাতার নাম, পাসপোর্ট এক্সপায়ারি ইত্যাদি তথ্য নিজে থেকেই ফর্মের সঠিক বক্সে বসে যাবে। আর কোনো ভুলভ্রান্তির সুযোগ নেই!
IVAC সেন্টারের নোটিশ বোর্ডের ছবি — বড় করে দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন।